প্রিয় কবিবৃন্দ শুভেচ্ছা,সালাম ও নমস্কার গ্রহন করবেন। প্রত্যেক কবিবন্ধুকে বাংলাদেশের শীতকালীন শুভেচ্ছা।
কথা হলো সাহিত্য কি কখনও ধরাবাধা নিয়মের মধ্যে চলে নাকি,সাহিত্যিকের ইচ্ছা ও সৃষ্টিশীলতার উপর চলে? আমার মতে সাহিত্য স্বাধীন। গানের পাতা ডট কম বিশুদ্ধতার পাঠশালা এটা মানি,মানতে হয়। দেখেন ওখানে মাননীয় এডমিন,শ্রদ্ধেয় কবি আশফাকুর রহমান পল্লব ভাই বলেছেন যে অপ্রচলিত/নিজস্ব বলে কোনো ছন্দ নেই। অথচ অপশনে কিন্তু অপ্রচলিত/নিজস্ব এই বিষয়টি আছে। তাই তার নিকট প্রশ্ন রইল যে অপ্রচলিত/নিজস্ব বলে যদি কোনো ছন্দ না থাকে তাহলে আপনি বা আপনারা অপশনে কেনো এই বিষয়টি রাখলেন? ভুল হলে ক্ষমা করবেন। মুলত গানের পাতায় ছন্দ ও পর্ব বিভাজন এই দুটি এডমিনদের করে দেওয়া উচিত। কারন অনেকে আছেন গান বা গীতিকবিতা অনেক ভালো লিখেন কিন্তু এই দুটি অপশন সঠিক না হওয়ার কারনে গীতিকবিতাটি বাতিল হয়ে যায়। তাই বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য মাননীয় এডমিন স্যারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। এবং আসরের প্রিয় কবিদের মতামত আশা করছি। মুলত সাহিত্য কখনও পরাধীন হতে পারেনা।
সাহিত্য সেতো চিরস্বাধীন
- মোঃ নিজাম গাজী
সাহিত্য কি তা আমি অধম জানিনা,
সাহিত্যকে নিয়ে তৈরি করা নিয়ম আমি মানিনা।
সাহিত্যিকগন যা লিখে তাই সাহিত্য।
আর এভাবেই সাহিত্য চলবে নিত্য।।
সাহিত্য হলো সাহিত্যিকের প্রেম,ভালোবাসা,
সাহিত্য হলো উদ্যম,সাহিত্য হলো আশা।
সাহিত্য নির্দিষ্ট কোনো নিয়মের মধ্যে চলেনা।
সাহিত্য তৈরি করা নিয়মের কথা বলেনা।।
স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত ইত্যাদী মানা সাহিত্য নয়,
সাহিত্যকে যারা নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ করেছে তারা সাহিত্যের ভয়।
সাহিত্যমনে যা আসে তাই সাহিত্যের নিয়ম,
নব্য গুরুজন নিয়মকে এখন করেছে যম।।
অন্তরা, আভোগ ইত্যাদী মানা সাহিত্য নয়,
সাহিত্য নিয়মের মধ্যে থাকলে কিভাবে হবে সাহিত্যের জয়??
আমি কোনো নিয়ম মানিনা,আমি কোনো নিয়ম জানিনা।
সাহিত্যিকগন যা লিখে তাই নিয়ম, যদিও হয় তা নিয়মহীনা।।
আমার কথাগুলো শুনে যদি আমাকে খামখেয়ালী মনে হয়,তবে আমি তাই,
তবুও আমি চিৎকার করে বলবো সাহিত্যে কোনো নিয়ন নাই।
রবী,নজরুল,লালনের লেখায় কোনো নিয়ম ছিলোনা।
তাই দয়া করে কেউ নিয়মের কথা বলোনা।।
নিয়ম করেন যারা,তারা সাহিত্য জগতের কলঙ্ক,
তাইতো এরা বারবার ভুল করে সাহিত্যের অঙ্ক।
সাহিত্যকে নিয়মের অর্গলে রেখে কখনও করা যাবেনা পরাধীন।
সাহিত্যের কোনো নিয়ম নেই,সাহিত্য সেতো চিরস্বাধীন।।
সময়ঃ-৩.২১(শেষরাত),
১৪/১২/২০১৭
নিজ বাসগৃহ,
মোরেলগঞ্জ,বাগেরহাট।।